আন্তর্জাতিক

অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের ইনস্টাগ্রামের যে ছবিটি ভাইরাল!


সি নিউজ: কানাডায় সদ্য শেষ হয়েছে জি-সেভেন সম্মেলন। ওই সম্মেলনের একটি ছবি ব্যক্তিগত টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। এরপরই বিশ্বনেতাদের ওই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। খবর বিবিসি, টাইম, ইন্ডিপেনডেন্ট।

আলোচিত ওই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গম্ভীর হয়ে বসে আছেন। বুকে হাত বাধা তার। সামনে টেবিলের ওপর হাত ভর দিয়ে ঝুঁকে কিছু বলছেন অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। চারপাশে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ জি-সেভেন সম্মেলনে অংশ নিতে আসা দেশগুলোর কর্মকর্তারা।

কানাডায় অনুষ্ঠিত এবারের জি-সেভেন সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সুবিধাভিত্তিক বাণিজ্য নিয়ে মতৈক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছিলো। তবে সম্মেলনটি খুব একটি প্রীতিময় হয়নি। দেশগুলো একটা পর্যায়ে সমঝোতায় পৌঁছলেও পরদিনই ট্রাম্প আর এ থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। দুইদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি ও কানাডার নেতাদের মধ্যে তুমুল তর্ক-বিতর্কের পর শনিবার সমঝোতা হয়।

মূলত বাণিজ্য, বিশেষ করে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে কানাডাসহ অনেক দেশের। ওই ছবিটিতেও এমন একটি পরিবেশ বোঝা যাচ্ছে- যেখানে খুব বেশি প্রীতিময় অবস্থান নেই বিশ্ব নেতাদের। হয়তো ট্রাম্পকে কোনও কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছেন অ্যাঙ্গেলা মার্কেল কিন্তু তিনি বুঝতে চাইছেন না। বিবিসি তাদের অনলাইনে ছবিটিতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিত তুলে ধরেছে।

১. ডোনাল্ড ট্রাম্প: ট্রাম্পের ঘোষণায় দুই প্রধান মার্কিন প্রতিবেশী মিত্র মেক্সিকো ও কানাডা সবেচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছে। সম্প্রতি তিনি স্টিলের ওপর ২৫ শতাংশ ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন।

২. জল বোল্টন: মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। মাত্র তিন মাস আগে নিয়োগ পেয়েছেন জন বোল্টন। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রগুলোতে শুল্ক আরোপের বড় সমর্থক তিনি।

৩. কাজুউকি ইয়ামাজাকি: জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র উপমন্ত্রী।

৪. শিনজো আবে: জাপানের প্রধানমন্ত্রী। ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের বিষয়ে প্রতিবাদ না করার কারণে অনেকদিন ধরেই চাপে আছেন শিনজো আবে। তিনি ট্রাম্পের সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরির চেষ্টা করছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় দশবার বৈঠক করেছেন এই দুই নেতা।

৫. ইয়াসুতোশি নিশিমুরা: জাপানের সহকারী মন্ত্রী পরিষদ সচিব। শিল্প ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে কাজ করেন তিনি।

৬. অ্যাঙ্গেলা মার্কেল: ট্রাম্পকে অন্যান্য দেশগুলোর দাবির বিষয়টি বোঝাতে সবচেয়ে অগ্রণী ভুমিকা পালন করছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। ছবিতেও তেমন একটি ভাব ফুটে উঠেছে।

৭. ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ: ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

৮. থেরেসা মে: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।

৯. ল্যারি কুডলো: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের পরিচালক।

Admin

0 Comments

Please login to start comments