• Login / Register
  • বিনোদন

    হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে নিপুণের আবেদন

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন কে কেন্দ্র করে একের পর এক নাটকীয়তা চলছেই। এই দিকে চিত্রনায়ক জায়েদ খান, শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আপিল বোর্ডের প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন। অভিনেত্রী নিপুণ কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের দেওয়া হয়।

    আজ মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের সংশ্লিস্ট শাখায় আবেদন করেছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। আবার অপর দিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অভিনেতা জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে অভিনেত্রী নিপুণ হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত চেয়েছেন।

    অভিনেত্রী নিপুণের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় এলে আজ বিষয়টির ওপর শুনানি হতে পারে।’

    গত ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ জানুয়ারি ভোরে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এই ফলাফলে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে পরে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ২ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে আপিল বোর্ডকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ড জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে।

    জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত গতকাল স্থগিত করেন হাইকোর্ট। জায়েদ খানের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

    জায়েদ খানের দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বাধা না দিতেও হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তাঁর আইনজীবী আহসানুল করিম। তিনি গতকাল বলেন, ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তর এক চিঠিতে জানায়, নির্বাচনী আপিল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ড জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণ আক্তারকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে। ওই চিঠি ও বোর্ডের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের চিঠি ও আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন আদালত। বিবাদীদের এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    Leave A Comment