দেশজুড়ে

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


 

সিনিউজ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন- নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে। রোববার গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ট্র্যাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। একজন অভিনেত্রী কিভাবে অভিনয় করেছেন, কেঁদেছেন তা সবাই দেখেছেন। মূলত তার উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সড়কে যে অরাজকতা চলছে, সেটি পুলিশ ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবেলা করছে। ধৈর্য থাকা মানে এ নয় যে, যা চলছে তা শুধু দেখেই যাব। ধৈর্য ভেঙে গেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, একজনকে দায়িত্বশীল নেতা তিনি ঢাকায় নামতে বলেন। তার উদ্দেশ্য ভালো ছিল না। ছেলেরা ব্যাগে বইয়ের পরিবর্তে পাথর নিয়ে নেমেছিল। রাতারাতি হাজার স্কুল ড্রেস বানানো হলো। এসব ভিন্ন উদ্দেশ্যের জন্য করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন- আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তাদের দাবি সম্পর্কে জানতে চেয়েছি। অথচ তারা কিছু বলতে পারে না। ৯ দফার সবগুলোই পূরণ করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন আইনটি আগামীকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠবে এবং রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল ও কলেজের সামনে আন্ডারপাস তৈরিতে এরইমধ্যে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন- এ ট্র্যাফিক সপ্তাহের মাধ্যমে আমি সবাইকে রাস্তায় চলাচলে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। রাস্তায় চালক, যাত্রী, পথচারী সবাইকেই আইন মেনে চলতে হবে। তা না হলে সড়ক দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কমানো যাবে না। এসময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকাসহ সারাদেশে আজ থেকে শুরু হয়েছে ট্র্যাফিক সপ্তাহ। আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত যানবাহনের নিবন্ধন, লাইসেন্স, ফিটনেস, ইনস্যুরেন্সসহ নানা কাগজপত্র ও এসবের মেয়াদ যাচাই-বাছাইয়ের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে পুলিশ। গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ট্র্যাফিক সপ্তাহের ঘোষণা দেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

 

Admin

0 Comments

Please login to start comments