বাংলাদেশ

রমজানে ফলের বাজার চড়া  দ্বিগুণ দামের অভিযোগ


সি নিউজ ডেস্ক : রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামছাড়া অবস্থা। প্রায় সব জিনিসের দামই আগুন ছোঁয়া। ঠিক তেমনি চড়াও হয়েছে ফলের বাজারও। কয়েক দিনের ব্যবধানে রোজাকে কেন্দ্র করে বেশিরভাগ ফলের দামই বেড়েছে। আবার কোনো কোনো ফলের দাম দ্বিগুণও হয়েছে।

খুচরা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তীব্র গরমে রোজায় ফলের চাহিদা বাড়ায় এর দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতারা কয়েক দিনের মধ্যে দাম এতো বৃদ্ধি পাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফলের দোকানে আপেল, মাল্টা, নাশপাতি, আঙ্গুর, পেয়ারা, আনারস বাড়তি দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, কলার দামও বেড়েছে। কোথাও কলা পাওয়া যাচ্ছে এমন দাবি করে বিক্রেতারা অনেক বেশি দাম হাঁকছেন।

ফার্মগেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সেখানকার দোকানগুলোতে আপেল কেজি প্রতি ২০০-২২০ টাকা, মাল্টা ২২০-২০০ টাকা, নাশপাতি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসময় এক ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোজার আগে তারা ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় নাশপাতি কিনেছেন আর এখন তার দাম দ্বিগুণ হয়েছে।

আরেক ক্রেতা বলেন, রোজার আগেই তারা কেজিতে ১৫০ টাকা করে আপেল কিনেছেন আর সেটি কিনতে ২২০ টাকা গুণতে হয়েছে। অন্যদিকে ১২০-১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া মাল্টার দাম এখন ২০০-২২০টাকা। ক্রেতারা ফলের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শুধু তাই নয়, কলার দামও বেড়েছে আগের চেয়ে। ছোট চাঁপা কলার হালিতে ২৫ টাকা আর সবরি কলার হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যেখানে রোজার আগে এসব কলা অর্ধেক দামেই পাওয়া যেতো।

এছাড়া ছোট আকারের আনারস ৪০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে বছরের বেশিরভাগ সময়ই তা ২০-২৫ টাকায় পাওয়া যায়।
আর তরমুজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের তিন কেজির একটু বেশি একটা তরমুজ কিনতে গুণতে হয়েছে ৩৪০ টাকা ।

অন্যদিকে আঙ্গুরের দামও লাগাম ছোঁয়া। বড় লাল আঙ্গুর কেজিতে ৪৫০-৪৬০ টাকা, ছোট আঙ্গুর কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
তাছাড়া প্রতি কেজি পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ খেজুরের প্রকার ভেদে রয়েছে দামের ভিন্নতা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে আমদানি করা বাহারি জাতের খেজুর দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে। আজওয়া, আনবারা, আমবার, মাবরুম, বরই, মরিয়ম, কাঁচা খেজুর, খুরমা বাজারে মানভেদে ২০০-১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এসবের দাম আগের থেকে কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছেন তারা।

বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রোজায় চাহিদা বেশি থাকায় ফলের দাম বেড়েছে। এছাড়া প্রচন্ড গরমের জন্য ফলের চাহিদাও বেশি। এজন্য ফলের দাম একটু বেশি।

 

Admin

0 Comments

Please login to start comments