ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ ও শাখা প্রধানের জামিন


সি নিউজ ডেস্ক:  ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর ‘আত্মহত্যার প্ররোচণার’ অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখাপ্রধান জিনাত আখতার। এনিয়ে এই মামলায় অভিযুক্ত তিন আসামির জামিন মঞ্জুর হলো।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালত তাদের পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় শিক্ষার্থী অরিত্রি। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে ‘আত্মহত্যার প্ররোচণার’ অভিযোগে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। ঘটনার পরদিন রাজধানীর পল্টন থানায় কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন অরিত্রির বাবা দিলীপ অধিকারী।

মামলার পরদিন শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে পল্টন থানা-পুলিশ। গত ৯ ডিসেম্বর আদালত থেকে জামিন পান হাসনা হেনা।

অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারীর অভিযোগ, পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষক অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করেছে, এমন অভিযোগে অরিত্রীকে তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে উপাধ্যক্ষ তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে দেওয়া ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন। পরে অধ্যক্ষের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এ সময় অরিত্রী দ্রুত অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। পরে বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন, অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলছে।

সিনিউজ ডেস্ক

0 Comments

Please login to start comments