জন স্বাস্থ্য ও সচেতনতা

ভাত খেয়ে ডায়েট করবেন কেন?

তাসনিমা হক


ব্যালেন্স ডায়েটের জন্য কার্বহাইড্রেট এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কার্বহাইড্রেট খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিলে বা কমিয়ে দিলে ব্যালেন্স ডায়েট হয় না। কার্বহাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজে পরিনত হয় যা আমাদের দেহের চালিকা শক্তি হিসেবে গন্য হয়।

কার্বহাইড্রেট মানে শুধু ভাত না।যা আমরা সচারাচর ভুল করে থাকি।কার্বহাইড্রেট মানে ভাত,রুটি, আলু,নুডলস,সুজি,সেমাই,বার্লি,ওটস,মুড়ি,বিস্কুট ইত্যাদি।

আমাদের ধরনা ভাত খাওয়া বন্ধ করে দিলেই বুঝি কার্বহাইড্রেট কাট অফ হয়ে গেল, এগুলার হিসাব আমরা করি না।

ভাত খেলে ওজন বাড়ছে,কারন আমরা ভাত খাই অন্তত ৩/৪ রকম তরকারি দিয়ে আর রুটি/মুড়ি/ওটস/নুডলস খাই ১/২ রকম মিক্সড ভেজিটেবল সাথে ডিম বা যেকোন একটা দিয়ে।স্বভাবতই যখন তরকারি/ভর্তা বেশি আমরা ভাত বেশি খেয়ে ফেলছি যা রুটি বা ওটস এর ক্ষেত্রে হচ্ছে না। ভাতের সাথে শুধু বেশি তরকারি না অন্যান্য সব্জীর কার্বহাইড্রেট ও চলে আসছে। ‌তাই বলা হয় ভাত খেলে ওজন বাড়ে।

ওজন বাড়ে বলে ভাত খাওয়া বন্ধ করে দেয়া যাবে না বরং পরিমিত পরিমাণে ভাত খেতে হবে ও শারিরীক পরিশ্রম করতে হবে যাতে কার্বহাইড্রেট টা আমাদের শরীরে সঞ্চিত না হয়।যখন কার্বহাইড্রেট জমতে থাকবে তখন ই তা চর্বি তে পরিনত হবে। ওজন বাড়বে।

পরিমিত পরিমানে ভাত খেতে হবে,ভাতের চেয়ে প্লেটে সব্জির পরিমান বাড়িয়ে দিন,দৈনিক হাটুন ৪০-৪৫ মিনিট, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, শারিরীক ভাবে সুস্থ ও ডায়বেটিস মুক্ত থাকতে পারবেন অনেক দিন।

তাসনিমা হক

নিঊট্রেশনিষ্ট ও হেলথ এডুকেশন অফিসার

বি আই এইচ এস জেনারেল হাসপাতাল

চীফ নিঊট্রেশন অফিসার হেলথ এন্ড নিঊট্রেশন অর্গানাইজেশন

সিনিউজ ডেস্ক

0 Comments

Please login to start comments