বাজেট পেশের পরই বেড়ে গেছে ভোগ্য পণ্যের দাম


সি নিউজ ডেস্ক : চলতি অর্থ বছরের বাজেট পেশের দু'দিনের মধ্যেই অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার। সরবরাহ ঘাটতিসহ নানা অজুহাতে বাড়ানো হয়েছে অধিকাংশ ভোগ্য পণ্যের দাম।

বাজেট ঘোষণার রাত থেকে একদিনের মধ্যে প্রতি মণ চিনিতে ৩০ টাকা, প্রতি কেজি আদা রসুনে ২০ থেকে ২৫ টাকা, পেঁয়াজে ৭ টাকা করে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সে সাথে বেড়েছে সব ধরনের সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম।

বাজেটের আগে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে প্রতি মন চিনি বিক্রি হয়েছে ১৭শ ১০ টাকা দরে। কিন্তু বাজেট পেশের রাতে ১৭শ ৫০ টাকা এবং সর্বশেষ পর্যায়ে ১৭শ ৭০ টাকায় গিয়ে থামে চিনির দাম। কিন্তু হঠাৎ করে চিনির দাম কেন বাড়ানো হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা নেই ব্যবসায়ীদের কাছে। 

চিনির বিবরণ        বর্তমান দর           গত সপ্তাহের দর
সাধারণ চিনি          ১৭৭০.০০           ১৭১০.০০

একইভাবে বেড়ে গেছে আদা-রসুন এবং পেঁয়াজের মতো সব ধরণের সাধারণ মসলার দাম’ও। তবে এখানে অজুহাত চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি। 

মসলার বিবরণ          বর্তমান দর       গত সপ্তাহের দর
পেঁয়াজ                     ২৭.০০            ২০.০০  টাকা
আদা                       ১৩৫.০০          ১২০.০০ টাকা
রসুন                       ১২৫.০০          ১০৫.০০ টাকা

মেসার্স খাজা ট্রেডার্সের ম্যানেজার রাজীব খান বলেন, যে পরিমাণ চাহিদা আছে সে তুলনায় বাজারে মাল কম এসেছে। 

সয়াবিনের দাম কিছুটা কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে সুপার সয়াবিন এবং পাম অয়েলের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে মন প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা।
 

তেলের নাম        বর্তমান দর          গত সপ্তাহের দর
সয়াবিন তেল      ২৭৬০.০০          ২৭৪০.০০
পাম অয়েল        ১৯২৫.০০           ১৯০০.০০
সুপার সয়াবিন    ২০৮৫.০০           ২০৫৫.০০

ব্যবসায়ী আলমগীর পারভেজ বলেন, মিল মালিকরা এখনো ভোজ্য তেলের বিশেষ করে সয়াবিন তেলের রেট বাড়ায় নি।  ডালের বাজারেও রয়েছে অস্থিরতা। ছোলা এবং মটর ডাল ছাড়া বেড়েছে বাকি সব ধরনের ডালের দাম।

ডালের প্রকার           বর্তমান দর          গত সপ্তাহের দর
মশুর                       ১০০.০০            ৯৮.০০ টাকা
মুগ                         ৮০.০০              ৭৫.০০ টাকা
ছোলা                      ৫৫.০০               ৬৫.০০
মটর                        ২৯.০০              ৩০.০০

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা ভোগ্য পণ্য প্রথমেই দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার চট্টগ্রামের চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ এবং আছাদগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। এরপর এসব পণ্য পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে।   


 

সিনিউজ ডেস্ক

0 Comments

Please login to start comments