দেশজুড়ে

ফুল চাষে লাভবান কৃষক


সি নিউজ ডেস্ক: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফুলের আবাদ করছেন চাষীরা। তাদের উৎপাদিত ফুল যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। এই উপজেলায় বছরে প্রায় দেড়কোটি টাকার ফুল উৎপাদন করছেন চাষীরা। ফুলের আবাদ সম্প্রসারণে আরও উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের রাঘবেন্দ্রপুর গ্রাম। এখানকার কৃষকরা মূলত শাক-সবজি চাষ করলেও ২০১৫ সালে ছয় বিঘা জমিতে ফুলের আবাদ করেন আশরাফুন্নবী। ফুল চাষের পেছনে তার খরচ চার লাখ টাকা। গেল চার বছরে গোলাপ আর রজনীগন্ধা মিলে প্রায় ১২ লাখ টাকার ফুল বিক্রি করেছেন তিনি।

ফুল চাষি আশরাফুন্নবী বলেন, গতবার থেকে রজনীগন্ধ্যা চাষ করছি। ফলাফল খুব ভালো। একবার লাগালে দুই বছর চলে। প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ ফুল তোলা হয়। ফুল গাড়িতে নিয়ে যায় এবং টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেয়। অন্য ফসলের মতো ফুল চাষে তেমন ঝুট ঝামেলা নেই। তাই অল্প পুঁজি আর স্বল্প পরিশ্রমে অনেক বেশি লাভের জন্য আশরাফুন্নবীর মতো অন্যরাও আগ্রহী ফুলচাষে। আর এজন্য কৃষি বিভাগের সহায়তা চান তারা।

ফুল চাষীরা বলেন, ফুলের টাকা প্রতিদিন পাওয়া যায়। সবজি চাষের চেয়ে ফুল চাষে লাভ অনেক বেশি। কীভাবে উৎপাদন বাড়াবো তার জন্যে কৃষি বিভাগের সহায়তা চাই আমরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা পূরণের জন্য ফুলের চাষ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। অবশ্য ফুলের চাষ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।

ফুল ব্যবসায়ীরা বলেন, যে ফুল আমরা পাই তা তাজা থাকে। আমাদের ক্ষতি কম হয়।

জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা শওকত ওসমান বলেন, ফুল প্রসেসিং সেন্টার বা বিক্রয় কেন্দ্র চালু হলে তারা এখান থেকে নিয়ে যেতে পারবেন।
সাদুল্যাপুরে তিন শতাধিক কৃষক ফুল চাষ করছেন। প্রায় ১৫০ বিঘা জমি থেকে তারা প্রতি বছর ৩৫ লাখ পিস গোলাপ ও রজনীগন্ধা উৎপাদন করছেন। যার পাইকারি বাজার মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।

 

Admin

0 Comments

Please login to start comments