খেলাধুলা

প্রথম ইনিংসে ২১১ রানে অলআউট বাংলাদেশ


সি নিউজ ডেস্ক : বৃষ্টির বাধায় টানা দুই দিন মাঠের বাইরেই ছিলেন ক্রিকেটাররা। রোববার তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ফিফটির পরও বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ওয়েলিংটন টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২১১ রানে অলআউট বাংলাদেশ। টেস্টের প্রথম দুদিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর তৃতীয় দিনে শুরু হয় ব্যাট-বলের লড়াই। আধাঘণ্টা আগে শুরু হয় খেলা।

বাংলাদেশকে অলআউট করে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডেরও। শুরুতেই টাইগার পেসার আবু জায়েদ রাহীর তোপের মুখে পড়েছেন স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। স্কোরবোর্ডে পাঁচ রান জমা হতেই টম ল্যাথামকে ফিরিয়ে দেন রাহী। লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি কিউই ওপেনার। এরপর ১২ রানের মাথায় জিত রাভালকে (৩) ফেরান রাহী। এবার ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। দারুণ শুরু করেন তামিম-সাদমান। প্রত্যয়ী ব্যাটিং উড়িয়ে দেন শঙ্কার মেঘ। তামিমকে যথার্থ সঙ্গ দেন সাদমান। তাতেই শুভসূচনা পায় টাইগাররা। পরে হঠাই খেই হারান সাদমান। ব্যক্তিগত ২৭ রানে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের শিকার হন।

সাদমানের বিদায়ে ভাঙে ৭৫ রানের ওপেনিং জুটি। এ নিয়ে তামিমের সঙ্গে টানা তিন ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়লেন তিনি। পরে মুমিনুল হককে নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেন তামিম। দারুণ সঙ্গও পাচ্ছিলেন। কিন্তু শর্ট বলে শট খেলার লোভ সামলাতে পারেননি মুমিনুল। সবে জুটি গড়ে উঠেছে ওই অবস্থায় নিল ওয়ভগনারের শর্ট বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে বিজে ওয়েটলিংকে ক্যাচ দেন।

টেস্ট স্পেশালিস্টের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৫ রান। এতে ভাঙে ৪৪ রানের পার্টনারশিপ। এরপরই পথ হারায় বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা।

অফস্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মোহাম্মদ মিঠুন। টপঅর্ডারদের সাজঘরের রাস্তা ধরার মাঝেও আশার আলো হয়ে ছিলেন তামিম। কিন্তু হার মানেন তিনিও। ওয়াগনারের বলে টিম সাউদিকে ক্যাচ দেন ড্যাশিং ওপেনার। ফেরার আগে ১০ চারে ১০৯ বলে করেন ৭৪ রান। এ নিয়ে টানা তৃতীয় পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেললেন দেশসেরা ওপেনার। যার মধ্যে রয়েছে একটি নান্দনিক সেঞ্চুরিও।

মাঝপথে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি গেল টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান সৌম্য সরকার। ম্যাট হেনরির বলে সেই ওয়েটলিংয়ের গ্লাভসে বল জমা পড়েন তিনি। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লড়তে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। তিনিও শর্ট বলের শিকার। শিকারি সেই ওয়াগনার।

তারপর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন লিটন দাস। তবে তাকে যোগ্য সমর্থন দিতে পারেননি কেউ। অবশ্য একটু চেষ্টা করেন তাইজুল ইসলাম। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তার প্রচেষ্টা শেষ করেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরক্ষণেই মোস্তাফিজুর রহমানকে সরাসরি বোল্ড করে ফেরত পাঠান তিনি। খানিক পরে লিটনের লড়াইও থামে। তাকে ফেরান সাউদি। টাইগার শিবিরে শেষ পেরেকটি ঠোঁকেন বোল্ট। আবু জায়েদকে বোল্ড করেন তিনি।

Admin

0 Comments

Please login to start comments