পত্রপত্রিকায় সরকারের বিরুদ্ধে নেগেটিভ খবরই বেশি প্রচার করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

পত্রপত্রিকায় সরকারের বিরুদ্ধে নেগেটিভ খবরই বেশি প্রচার করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

ওমায়ের আহাম্মেদ : পত্রপত্রিকায় সরকারের বিরুদ্ধে নেগেটিভ খবরই বেশি প্রচার করা হয়। কারো কাছে দয়া দাক্ষিণ্য চাই না। দেশের জন্য যদি ভালো কিছু করে থাকি সেটুকু ভালোভাবে পত্রপত্রিকায় বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করা হলে কৃতার্থ থাকি। কথা বলার স্বাধীনতা নেই একথা যারা বলছেন তারা কী সত্য না মিথ্যা বলছেন? বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের বিএফইউজে’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের কিছু রাজনৈতিক দল ও কিছু ব্যক্তি, যারা দল করে না তারাও একটি কথা বলে যাচ্ছেন যে, দেশে কথা বলার স্বাধীনতা নাই। কিন্তু কথা বলার স্বাধীনতা যদি নাই থাকে তাহলে তারা কথাগুলো বললেন কিভাবে?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারে আসার পর ইতোমধ্যে অষ্টম ওয়েজবোর্ড করে দিয়েছি। নবম ওয়েজবোর্ড করার প্রক্রিয়াও চলছে। কাজেই আশা করি সেটাও করা হবে। তবে আপনারা জানেন, ওয়েজবোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা থাকেন। তারা সবসময়ই একটু কালক্ষেপণ করার চেষ্টা করেন। এটা আপনারা নিজেরাও ভালো করে বোঝেন। আমার এখানে কোনো ব্যাখ্যা দিতে হবে না।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু বানাচ্ছি। মানুষ মনে করত বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ, তারা হাত পেতে চলবে। কিন্তু আমরা কেন হাত পেতে চলব? এখন আমাদের সম্পর্কে বিদেশিদের ধারণা বদলেছে।   তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নত হয়েছি, উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি, আজ স্যাটেলাইট পাঠিয়ে বাংলাদেশকে অন্য মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছি। মাত্র ৯ বছরে বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক উন্নতি করেছি, তা আর কেউ পারেনি। মানুষ এখন স্বস্তিতে, শান্তিতে আছে। দু’বেলা খাবার পাচ্ছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণের মধ্যেই হারানো মা-বাবা-ভাইয়ের স্নেহ পেয়েছি বলেই আমার একটাই লক্ষ্য, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করা।

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য যে কাজ হচ্ছে, তা যেন তুলে ধরা হয়। কারণ আমরা পরমুখাপেক্ষী হতে চাই না। বিএফইউজে’র সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ের সভাপতি আবু জাফর সূর্যসহ সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।