বাংলাদেশ

দেশে ফাইভ জি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে মোবাইল অপারেটররা


সি নিউজ ডেস্ক : ফাইভ-জি ইন্টারনেটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের টেলিকম অপারেটররা। তারা বলছে- স্পেকট্রামের দাম না কমালে এই হাইটেক সেবাতে ডেটা খরচ কমানো কঠিন হবে।

পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ছাড়া ফাইভ-জি চালু হলে মানসম্মত সেবা পাবে না গ্রাহকরা- বলছেন টেলিকম বিশেষজ্ঞরা। ড্রাইভিং সিটে কোনো চালক নেই। তবুও চীনের শহর সাংহাইয়ের সড়ক দাপিয়ে গাড়িটি চলছে একদম নিখুঁতভাবেই।

এমন আরো অনেক কিছুই ঘটবে ফাইভ-জি ইন্টারনেটের জাদুতে বলছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।  ফোর-জি ইন্টারনেটের চেয়ে ফাইভ জির গতি হবে বহুগুণ।

২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে ফাইভ জি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ইতোমধ্যেই যার পরীক্ষা করেছে টেলিকম অপারেটর রবি।

রবির হেড অব রেগুলেটরি এ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম জানান, ফাইভ-জি’র ব্যবহারিক যে জায়গাগুলো এগুলো নিয়ে অনেক কাজ করার জায়গা রয়েছে। যেমন অনেকেই জানেন, কিছু দিন আগে ফাইভ-জি অপারেশনের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকেও বিভিন্ন মেডিকেল অপারেশন হয়েছে। এই জিনিসগুলো বাণিজ্যিকভাবে আসতে একটু সময় লাগবে।

বাংলাদেশে ফাইভ-জির স্পিড শুরুতে উন্নত বিশ্বের মতো নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলালিংক। বাংলালিংক চিফ কর্পোরেট এ্যান্ড রেগুলেটরি এ্যাফেয়ার্স তাইমুর রহমান জানান, ফাইভ-জির অনেক বেশি স্পেকট্রাম লাগবে। স্পেকট্রামের মূল্য এখন যা আছে, তা যদি থাকে তাহলে এটা সম্ভব হবে না।

আমেরিকার ফাইভ-জি এবং বাংলাদেশের ফাইভ-জি একইরকম নাও হতে পারে।

ফাইভ-জি ব্যবহারের জন্য নতুন হ্যান্ডসেট ও সিম রিপ্লেস করতে হবে গ্রাহকদের। গ্রামীণফোন হেড অব রেগুলেটরি এ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত জানান, যখন আমরা ফাইভ-জি চালু করবো, তখন সিম রিপ্লেস করতে হবে। মার্কেটে এখন ফাইভ-জি হ্যান্ডসেট তেমন একটা নেই, কিছু সংখ্যক রয়েছে।

নতুন তরঙ্গ কেনাসহ পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হলে গ্রাহক সুবিধা বাড়বে না ফাইভ-জি নেটওয়ার্কে। টেলিকম খাত বিশেষজ্ঞ রোকন-উজ-জামান জানান, একটা প্রযুক্তির উন্নয়নে অনেক বিনিয়োগ করতে হয়।

এছাড়া ইকোসিস্টেমকে তৈরি করতে হয়। বিনিয়োগ ঠিকমতো হতে হবে, অনেক স্টেকহোল্ডারের হতে হবে।

২০২০ সাল নাগাদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের অনেক দেশে ফাইভ-জি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

Admin

0 Comments

Please login to start comments