খেলাধুলা

তামিমের অভাব পূরণ করতে চান অমি


সিনিউজ: বিশ্বকাপ থেকেই হঠাৎ করে তামিমের কি যেনো হলো। ক্রিজে থাকছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু রান উঠছে না বোর্ডে। বল খেলছেন অনেকগুলো সেই তুলনায় রান নেই তার নামের পাশে। নেই সেই চোখ ধাঁধানো কাভার ড্রাইভ, নেই ক্রিজ থেকে বের হয়ে এসে বলকে সীমানা ছাড়া করা। বিশ্বকাপে খেলা ৮টি ম্যাচে নেই একটি ওভার বাউন্ডারি। নেই একটি সেঞ্চুরি। এমনকি ৮ ম্যাচে মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি তামিমের।

বিশ্বকাপ শেষে লঙ্কানদের বিরুদ্ধে সিরিজে অধিনায়ক হিসেবে আরো যা তা অবস্থা। তামিমকে যেনো চেনাই যাচ্ছে না। তামিম নিজেও চিনছেন না নিজেকে। শেষ পর্যন্ত স্বেচ্ছায় বিশ্রামে গেলেন দেশসেরা এই ওপেনার। সামনের টি-২০ সিরিজে তামিমের জায়গায় কোন ব্যাটসম্যানকে চান্স দেয় বিসিবি তা দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট ভক্তরা।

তামিমের পরিবর্তে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলানো হতে পারে জহুরুল ইসলাম অমিকে। ওপেনার হিসেবে সৌম্য মোটামুটি নিশ্চিত। সাথে আছেন লিটন দাস। ইমরুল কায়েসও বহুদিন উপেক্ষিত।

একটা সময়ে জাতীয় দলের ওপেনিং পজিশনে ব্যাটিং করতেন জহুরুল। ২০১০ সালের মার্চ থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত ৭টি টেস্ট, ১৪টি ওয়ানডে আর ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন অমি। তবে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার অভাবে বাদ পড়ে যান তিনি।

আগামী মাসে আফগানিস্তানের সঙ্গে একমাত্র টেস্ট ও আফগান-জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরজকে সামনে রেখে অনুশীলন ক্যাম্পের জন্য ঘোষিত ৩৫ সদস্যের প্রাথমিক দলে ফেরানো হয়েছে জহুরুল ইসলামকে। হয়ত তামিম ইকবালের পরিবর্তে অমিকে খেলানো হতে পারে।

এ ব্যাপারে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জহুরুল বলেন, অনেকদিন পর প্রাথমিক দলে জায়গা পেলাম। সব খেলোয়াড়েরই স্বপ্ন জাতীয় দলে খেলার। এই উদ্দেশ্যে নিয়েই প্রত্যেক বছর শুরু করি। এই বছর প্রিমিয়ার লিগে ভালো করার পর আমাকে এ দলে ডেকেছিল। এ দলেও ভালো হয়েছে ব্যাঙ্গালুরুতে। তারপর প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পেলাম। এখন সবকিছু আমার চেষ্টা এবং আল্লাহর সহায়তার ওপর।

তামিমের অনুপস্থিতে জাতীয় দলের ওপেনিং পজিশেনে খেলার স্বপ্ন দেখা জহুরুল বলেন, তামিম অনেক বড় মানের খেলোয়াড়। ওর অভাব পূরণ করাটা কঠিন। এখানে সাদমান ইসলাম অনিক, ইমরুল কায়েম, সৌম্য সরকারসহ যারা আছেন তাদের জন্য একটা সুযোগ। টেস্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ফরম্যাট। যদি এখানে পারফর্ম করা যায় তাহলে সব ফরম্যাটে পারফর্ম করা সহজ। যেহেতু তামিম নেই যারা সুযোগ পাবে তাদের জন্য বড় সুযোগ।

জাতীয় দলে ফের সুযোগ পেলে নিজের সর্বোচ্চ দেয়ার চেষ্টা করব। এমনটি জানিয়ে ৩২ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার বলেন, আমি সব সময় চেষ্টা করছি নিজের টেকনিক উন্নতি করার এবং ফিটনেস নিয়ে কাজ করার জন্য। বাকিটা নির্বাচকদের ইচ্ছা। ওনারা যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে আমাকে নেবেন। সুযোগ পেলে আমি আমার সর্বোচ্চ দেয়ার চেষ্টা করব।

Admin

0 Comments

Please login to start comments