জন স্বাস্থ্য ও সচেতনতা

কিটো ডায়েট

কিটো ডায়েট


প্রতিদিন আমরা হাজার হাজার ইউটিউব ভিডিও, ফেসবুক পেজ,গ্রুপ, অন লাইন ডায়েট থেকে নিজেদের বর্তমান শারিরীক অবস্থার মিল পেলেই সেখান থেকে নিজের ডায়েট নিজেই শুরু করে দেই।যার মাঝে অন্যতম কিটো বা ইন্টারমিডিয়েট ডায়েটিং, এসব করার আগে আমরা একবার ও ভাবি না এর ভাল দিক বা খারাপ দিক কি হতে পারে। এসব ডায়েটের পরে যেসব শারিরীক সমস্যা হতে পারে তার মাঝে ভিটামিন কমে যাওয়া অন্যতম। ১ মাসে আপনি ৫ কেজি বাড়াননি তাই ১ মাসে ৫ কেজি কমাতে যাওয়াও বোকামি।

নিজে নিজে বা ইউটিউব দেখে ডায়েটিং থেকে বিরত থাকুন প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদ কে দেখান তার হসপিটালে বা চেম্বারে। এখন মোটামুটি সব হসপিটালেই ডায়েটেশিয়ান বসছেন/ পাওয়া যাচ্ছে।

ডায়েট মানেই সব সময় ক্রাশ কোন খাবার না।সব পরিমিতভাবে খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

কিটো ডায়েট  

কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন , ফ্যাট এর মধ্যে কার্বোহাইড্রেট ভেঙ্গে আমাদের ব্রেনে গ্লুকোজ সরবারহ করে যা আমাদের সব কাজ কর্মের শক্তি যুগীয়ে থাকে । কার্বোহাইড্রেট যেহেতু আগে ভাঙ্গে সেহেতু যদি কার্বোহাইড্রেট কম থাকে তাহলে ফ্যাট আগে ভাঙ্গে ও ব্রেনে গ্লুকোজ সাপ্লাই দেয় । যখন আমরা আমাদের ডায়েটে কার্ব কমিয়ে দিয়ে প্রোটিন ও ফ্যাট পরিমানে বাড়িয়ে দেই সেটাই কিটো ডায়েট।

ইতিহাস এটি ১৯২০ সালের পর অধিক জনপ্রিয় হয় ,সাধারণত এটি ইপিলিপ্স এর চিকিৎসা তে ব্যবহিত হত বেশি । ইপিলিস্পের চিকিৎসায় এই ডায়েট এ সাফল্য দেখা যায় ।যদিও এখনও এটি ২০-৩০% অকার্যকর ইপিলিপ্স ডায়েটে।

The role of fasting in the treatment of disease has been known to mankind for thousands of years and was studied in detail by ancient Greek physicians and ancient Indian physicians. The same author also describes in “Epidemics” from the collection, how a man was cured of epilepsy when he abstained completely from consuming food or drink.

The first modern scientific study into fasting as a cure for epilepsy was conducted in France, in 1911.

Also during the early 20th Century, an American called Bernarr Macfadden, popularised the idea of fasting as a means of restoring health. His student osteopath, Hugh Conklin, introduced fasting as a treatment method for controlling epilepsy.

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

১। ওজন কমে

২। কোষ্ঠকাঠিন্য

৩। ডায়রিয়া

৪। মহিলাদের মাসিকের সমস্যা

৫। দুর্বল লাগা

৬। কোন কিছু করতে না চাওয়া

৭।বিরক্তি সব কিছু তেই।

অনেক গবেষণা তে বলা হয়েছে এটি, ভাল।আবার অনেক গবেষণাতে বলা হয়েছে খারাপ।অল্প কিছু দিনের জন্য ঠিক আছে বেশি কি হলে নানান সমস্যা দেখা যেয়ে পারে যেমন ঃভিটামিন ও মিনারেল ঘাটতি সহ নানান সমস্যা। আবার এটি ছেড়ে দিলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ও ঝুঁকি থাকে।

কেন করবেন নাঃ

১.কিটো ডায়েট স্বল্প সময়ের জন্য করলে ওজন কমবে কিন্তু ছেড়ে দিলেই আবার ওজন ডাবল

২.এই ডায়েটে কার্বোহাইড্রেট খাওয়া না খাওয়ার সমান হয় এতে করে আপনার রেগুলার কার্বোহাইড্রেট যে পরিমাণ দরকার তার ঘাটতি পড়ছে।

৩.কিটো ডায়েটে বলা হয়ে থেকে ফ্যাট দিয়ে ফ্যাট কাটানো তাই এতে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে।

৪.প্রোটিন ও থাকে কিন্তু কিছুটা কম ফ্যাটের তুলনায় ৫.রেগুলার এই ডায়েট ফলো করলে আপনার ওজন কমবে ঠিকই কিন্তু আপনি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাবেন,মাথা ব্যাথা থাকবে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকবে,শরীরে বল পাবেন না। ৬.একসময় আপনার শরীরে ভিটামিন মিনারেল ঘটতি ও শুরু হবে, চুল পড়া শুরু হবে,হাত পায়ের নক ভংগুর হতে শুরু করবে।

কেন করবেন এই ডায়েট

স্বল্প সময়ে কিছুটা ওখন কমিয়ে রেগুলার ডায়েটে আসার জন্য ।

কাজেই,প্রতিদিন রেগুলার খাবারগুলো ই খেয়ে,হাটুন, শারিরীক পরিশ্রম করুন ওজন এমনিতেই কমে যাবে।

তথ্য সূত্র ঃ বিভিন্ন সায়েন্টিফিক পেপার

তাসনিমা হক

নিঊট্রেশনিস্ট ও হেলথ এডুকেশন অফিসার বি আই এইচ এস জেনারেল হসপিটাল, ঢাকা

চীফ নিঊট্রেশন অফিসার

হেলথ এন্ড নিঊট্রেশন অর্গানাইজেশন

সিনিউজ ডেস্ক

0 Comments

Please login to start comments