অর্থ সংকটে আটকে আছে কর্ণফুলি নদী রক্ষার কাজ


সি নিউজ ডেস্ক:  দেশের আমদানি-রপ্তানী বাণিজ্যের ৮০ ভাগ হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। অথচ যে নদীকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এ বন্দর, সে কর্ণফুলি নদীকে রক্ষায় সরকারের কাছে এক কোটি টাকা চেয়েও পাচ্ছেনা প্রশাসন।

ফলে উচ্চ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও গেলো প্রায় আড়াই বছরে ২ হাজারেরও বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান করা যায়নি। তবে, পরিবেশ কর্মীদের অভিযোগ, প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও প্রভাবশালী মহলের চাপেই হচ্ছে না অভিযান।

সারি সারি এসব স্থাপনা দেখলে মনে হতে পারে যেন মানুষের আদি আবাসভূমি। বাস্তবে তা নয়। কর্ণফুলি নদীর বুকজুড়ে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনার সবগুলোই অবৈধ।

প্রশাসনের হিসাবে এই অবৈধ স্থাপনার সংখ্যা ২ হাজার ১১২টি। যা উচ্ছেদ করে নদীর পুরনো রূপ ফিরিয়ে আনতে ২০১৬ সালের আগস্টে প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। বলা হয়, তালিকা প্রকাশ করে ৯০ দিনের মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার।

কিন্তু এ নির্দেশের আড়াইবছরেও অভিযান শুরু করতে পারেনি প্রশাসন। ফলে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে নতুন নতুন স্থাপনা। সংকুচিত হয়ে পড়ছে দেশের অর্থনীতির প্রাণ এ নদী।

প্রশাসনের দাবি, অর্থ সংকটে আটকে আছে নদী রক্ষার এ কাজটি। এজন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে মন্ত্রণালয় থেকে। তা পেলেই দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান শুরুর কথা জানান জেলা প্রশাসক।

কর্ণফুলি নদী রক্ষায় নির্দেশনা চেয়ে ২০১০ সালে হাইকোর্টে এই রিট করে হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন।

সিনিউজ ডেস্ক

0 Comments

Please login to start comments